ভর্তি পরীক্ষার অজুহাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। উপাচার্যের সাক্ষাতের সময় না পাওয়া এবং প্রশাসনের অসহযোগিতার প্রতিবাদে আগামী ১০ নভেম্বর মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুর আড়াইটায় ছাত্রশিবিরের নেতারা রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন।
মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে উপাচার্যের সাক্ষাতের সময় চেয়েও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন ব্যস্ততা ও উপাচার্যের ক্যাম্পাসের বাইরে থাকার কথা জানানো হলেও পরে তাঁরা জানতে পারেন, উপাচার্য সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ছিলেন।
তিনি বলেন, গত ২৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে রাকসুর পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও সিনেট কার্যকর করার দাবি জানিয়েছিল ছাত্রশিবির। এরপর কয়েক দফায় আলোচনার চেষ্টা করেও নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।
শিবির সভাপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন। ভর্তি পরীক্ষা ও রাকসু নির্বাচন দুটি পৃথক কার্যক্রম। ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কমিটি এবং রাকসু নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই একটি কার্যক্রমের কারণে অন্যটি পিছিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই বলে তাঁরা মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসন রাকসু নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী না হলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি পালন করা হবে। উপাচার্যের সাক্ষাতের সময় না দেওয়া ও প্রশাসনের অসহযোগিতার প্রতিবাদে ১০ নভেম্বর মানববন্ধন করবে ছাত্রশিবির।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসানসহ হল ও শাখা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুর আড়াইটায় ছাত্রশিবিরের নেতারা রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন।
মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে উপাচার্যের সাক্ষাতের সময় চেয়েও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন ব্যস্ততা ও উপাচার্যের ক্যাম্পাসের বাইরে থাকার কথা জানানো হলেও পরে তাঁরা জানতে পারেন, উপাচার্য সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ছিলেন।
তিনি বলেন, গত ২৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে রাকসুর পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও সিনেট কার্যকর করার দাবি জানিয়েছিল ছাত্রশিবির। এরপর কয়েক দফায় আলোচনার চেষ্টা করেও নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।
শিবির সভাপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন। ভর্তি পরীক্ষা ও রাকসু নির্বাচন দুটি পৃথক কার্যক্রম। ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কমিটি এবং রাকসু নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই একটি কার্যক্রমের কারণে অন্যটি পিছিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই বলে তাঁরা মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসন রাকসু নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী না হলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি পালন করা হবে। উপাচার্যের সাক্ষাতের সময় না দেওয়া ও প্রশাসনের অসহযোগিতার প্রতিবাদে ১০ নভেম্বর মানববন্ধন করবে ছাত্রশিবির।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসানসহ হল ও শাখা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।